মধুচক্র চালানোর অভিযোগে তারাপীঠ এক যুবতী সহ হোটেল মালিককে গ্রেফতার করল পুলিশ

HnExpress ৩০শে সেপ্টেম্বর, নিজস্ব প্রতিনিধি, রামপুরহাট ঃ বর্তমানে সারা দেশ তথা রাজ্য জুড়ে চলছে করোনা মহামারীর প্রকোপ। আর সেই করোনা আবহের মধ্যেই তারাপীঠের একটি হোটেলে থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় ধরা পরল মধুচক্রের রমরমা অবৈধ আসর। এটি রামপুরহাটের তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন কবিচন্দপুর এলাকার একটি হোটেলের ঘটনা। এলাকার স্থানীয়রা বহু দিন ধরেই ওত পেতে ছিল হাতেনাতে ধরার অপেক্ষায়।

ভাগ্যক্রমে আজ সেই সুযোগ এসে যায়, আর হোটেলের ভিতর থেকে অসামাজিক অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পরে এক যুবতী। এরপরই এলাকার স্থানীয়রা রামপুরহাট থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই যুবতী সহ হোটেলের মালিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে দীর্ঘদিন দিন ধরেই এই হোটেলের মধ্যেই চলছিল মধুচক্রের রমরমা। স্থানীয়রা এবিষয়ে বারংবার নিষেধ করলেও হোটেল কর্তৃপক্ষ কোনো ভাবেই তাতে কর্ণপাত করেননি।

এদিকে করোনা নিয়ে আতঙ্ক কিছুটা কমলেও, বাংলা জুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ এর হার। আর এই সংক্রমণের ফলেই দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল তারাপীঠ মন্দির। এই মাসের প্রথম দিকে মন্দির খুলে দেওয়া হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এছাড়াও সংক্রামণ রুখতে হোটেল-লজ গুলিকে সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কড়া নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এরকম দুঃসময়ে প্রশাসনের সব রকম ন্যায় নির্দেশিকাকে ক্যাচ কলা দেখিয়ে রমরমিয়ে চলছিল মধুচক্র আসর।

ঘটনার পরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। যেখানে সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসন একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে, সেখানে হোটেলের মালিক সেই পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে কীভাবে এই ধরনের মধুচক্রের অবৈধ ব্যবসা চালাচ্ছিল? প্রশাসন কি তাহলে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে? এর পিছনে আর কার কার মাথা কাজ করছে? এসব নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: