এবারে অভিযোগ উঠল সরকারী সম্পত্তির উপর বেআইনী বাড়ী নির্মাণ ও বিক্রি নিয়ে

HnExpress নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর ঃ সরকারী সম্পত্তির উপর বেআইনী বাড়ী নির্মাণ ও বিক্রির অভিযোগ উঠল। এর নেতৃত্বে রয়েছেন খোদ পঞ্চায়েত সদস্যা কৃষ্ণা পালের স্বামী বানেশ্বর পাল, এমনটাই দাবি করেছেন অভিযোগকারী সেই এলাকারই বাসিন্দা সুজিত পাল। পশ্চিম মেদিনীপুরে কুলটিকরি গ্রামে প্লট নম্বর ১৫, জে এল নম্বর ২৪১ আনুমানিক ১২ হাত জায়গার উপর চলছে বেআইনি বাড়ি নির্মাণকার্য।

চিত্রে পিছন দিক করে বসে আছেন পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী বানেশ্বর পাল।

তাতে কখনও সেই স্থানে দাঁড়িয়ে থেকে আবার কখনওবা জলযোগ সহযোগে যত দ্রুত সম্ভব বাড়ী নির্মাণ সম্পূর্ণ করা যায় তার তদারকি করছেন স্বয়ং পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী। আর মেদিনীপুরবাসী আনন্দ পাল এর পিতা ঈশ্বর পঞ্চানন পাল ওই বেআইনি বাড়ীর মালিক। বিশস্ত সূত্রের খবর, প্রশান্ত বাউর এর পিতা ঈস্বর মদন বাউর প্রায় ৯০,০০০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্ট্যাম্প পেপারে কয়েক জনের সাক্ষর নিয়ে এই সরকারী জায়গা বিক্রি বা হস্তান্তর করেছেন।

যেকোনো রকমের খবর ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ঃ ৮২৪০৯০২৪৫।

অথচ ওই জায়গার পাশাপাশি দুজন সিভিক একজন ভিলেজ পুলিশের ও পঞ্চায়েত সদস্যার নিজের বাড়ী অবস্থিত। আবার এদিকে গ্রামবাসিদের অভিযোগ, এখানে একটি হাইস্কুল ও একটি প্রাইমারি স্কুল রয়েছে, আর তার পাশেই রমরমিয়ে চলছে চারটি অবৈধ মদের দোকানও, যার একটি আবার খোদ পঞ্চায়েত সদস্যার দেওরের, নাম তারকনাথ পাল। এছাড়া রয়েছে প্রনোবেশ বাউর (হাবু) এর মদের দোকান। এখন যা পরিস্থিত, তাতে  এই সরকার আবার এলাকার মানুষের উন্নয়নের প্ৰচেষ্টায় বাঁধা প্রাপ্ত হবে দাঁড়াবে না তো? এখন এটাই দেখার বিষয়।

চিত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রশান্ত বাউর।

আর এই প্রশ্ন কিন্তু এলাকারই আম জনতার! যদিও ইরিগেশনে এসডিও ঘাটাল এই অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আস্বস্ত করেছেন গ্রামবাসীদের। তাই গ্রামের সবার আশা ভরসার  নজর এখন সেদিকেই। প্রসঙ্গত, মহামান্য কলকাতা উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রশান্ত বাউর এর নামে ঘাটাল কোর্টে ডাকাতির মামলা চলছে ( Gr. Nombor 575/17 adding section 394 IPC ডাকাতি), আর ওই প্লট নম্বর টি হলো ১৫ জে এল, নম্বর ২৪১ এর।

Leave a Reply

%d bloggers like this: