সেচের জল নেই, চাষীরা পরেছে বিপাকে

HnExpress ১৮ই এপ্রিল, অভিজিৎ হাজরা, হাওড়া ঃ কৃষক তার সহজাত অবস্থায় বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে চাষাবাদে অগ্ৰণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। কিন্তু হাওড়া জেলার উদয়নারায়নপুর, আমতার বিস্তীর্ণ এলাকার নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় জল নেই। সেচে জল না থাকার কারণে হাজার হাজার বিঘার জমির ফসল নষ্ট হতে বসেছে, চাষীরা পরেছে বিপাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন বেশ কয়েকজন কৃষক জানালেন, তাদের এই মরসুমের ধান, শাক-সবজি, কড়াইডাল, তৈলজাত সবজি প্রায় নষ্ট হতে বসেছে।

সেচের জলের অভাব প্রসঙ্গে সেচ দফতর সূত্রে জানা গেছে, “বিশ্ব ব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তায় রাজ্যের কয়েকটি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদী, খাল-বিল সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এই কারণে ডিভিসি থেকে প্রথম দফায় চাষের জল আসলেও পরবর্তী সময়ে সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার কারণে সেই জল দেওয়া বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে নদ-নদী, খাল-বিলের সংস্কারের কাজ বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সংস্কারের কাজ শুরু করা যাবে না।”

 

 

এদিকে বৃষ্টিরও দেখা নেই সেভাবে। নোভেল করোনা ভাইরাসকে সামনে রেখে কৃষকেরা কৃষি কাজে লিপ্ত থাকলেও এই মরসুমে ফসল তারা কতটা তুলতে পারবে তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত তারা। ইতিমধ্যেই গ্ৰাম গুলির পুকুর, ডোবা, খাল-বিল শুকিয়ে ফাটল ধরতে আরম্ভ করেছে। বৃষ্টির আশায় কৃষকেরা চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় বসে আছে। তাই তারা অ-সেচ এলাকার নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুরের জলও সেচের কাজে ব্যবহার করে থাকে।

সেচের জন্য কৃষকেরা এই গুলির উপর যথেষ্ট নির্ভরশীল। আমতা ২ নং ব্লকের বিভিন্ন গ্ৰামীণ এলাকা গুলিতে গিয়ে দেখা গেল গৃহপালিত পশু থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জলের অভাবে গ্ৰামবাসীরা রয়েছে মহা সংকটে। এদিকে এলাকার অধিবাসীদের ব্যক্তিগত পুকুর গুলিও শুকিয়ে যেতে বসেছে। এই প্রতিবেদনে আমতা ২ ব্লকের অমরাগড়ি থেকে কলসডিহির খালের চিত্র তুলে ধরা হল।

 

Leave a Reply

Latest Up to Date

%d bloggers like this: