কোভিড-১৯ এর যম অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ ফ্যাবিফ্লু’র আগমনে অনেকটাই স্বস্তি এল মানব জীবনে

HnExpress ২২শে জুন, ইন্দ্রাণী সেনগুপ্ত, বিশেষ প্রতিবেদন ঃ দেশ জুড়ে যখন নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা হু হু করে বেড়েই চলেছে, ঠিক সেই সময় সেই মুহূর্তে কোভিড-১৯ এর যম অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ ফ্যাবিফ্লু’র আগমনে অনেকটাই স্বস্তি এল মানব জীবনে। সুত্রের খবর অনুযায়ী জানা গেছে, মহামারী ভাইরাসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি পেয়েই জাপানি মেডিসিন ফ্যাভিপিরাভির প্রয়োগ শুরু করা হয়েছে।

মুম্বাইয়ের গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালসের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগেই বাজারে এসে গেল জাপানের ফ্যাভিপিরাভিরের নিউ ব্র‍্যান্ড ফ্যাবিফ্লু (Fabiflu) মেডিসিন। মহামারীর এমন ভয়াবহ সিজেনের মধ্যে এই প্রথম কোনো ভারতীয় কোম্পানি বানিজ্যিক রীতিতে কোভিড-১৯ এর অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ তৈরির বরাত পেল। সুত্র অনুযায়ী, একটি পাতায় ৩৪টি ট্যাবলেটের এই প্যাকেটের দাম ধার্য করা হয়েছে ৩,৫০০ টাকা। মানে ২০০ মিলিগ্রামের একেকটির ট্যাবলেটের দাম প্রায় ১০৩ টাকা। তবে এই ওষুধ মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র সীমার নিচে থাকা মানুষ গুলোর পক্ষে কেনা যে কতটা সম্ভব সেটাই এখন প্রশ্ন!

এই মেডিসিন নিয়ে পরপর দুটি ট্রায়ালের রিপোর্ট মোটামুটি আশানুরূপ হওয়ায় তৃতীয় ট্রায়াল শুরু করে এই বায়োমেডিক্যাল ফার্ম। আর এই তৃতীয় ট্রায়ালের রিপোর্টও প্রাথমিক পর্যায় ভালোর দিকে বলেই সুত্রের খবরে জানা গেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এর অভিনব এই উদ্যোগেই কোভিড-১৯ এর সলিডারিটি ট্রায়ালে প্রথম বার ফ্যাভিপিরাভির এর প্রয়োগ শুরু করার সুযোগ পেয়েছে মুম্বাই এর গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস ফার্ম।

আর এই ফলাফলের উপর আস্থা রেখেই ড্রাগ কন্ট্রোলের পক্ষ থেকে ফ্যাভিপিরাভির প্রয়োগ এর অনুমতি প্রদানের পাশাপাশি এটাও বলা হয় যে, এই ফ্যাভিপিরাভির থেরাপি যেন জরুরি ভিত্তিতেই একমাত্র কম বা মাঝারি সংক্রামিত রোগীর উপরেই প্রয়োগ করা হয়। এই ওষুধের ডোজ হল, প্রথমদিন ৯টি করে ট্যাবলেট প্রতহ্য, আর পরের ১৪ দিন ৪টি করে ট্যাবলেট প্রতহ্য সেবন করতে হবে। তবে এটি অবশ্যই একমাত্র কোভিড-১৯ এর চিকিৎসকের দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ীই প্রদান করা হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: