কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া পদক্ষেপ, ব্যবহারের মেয়াদকাল সংক্রান্ত দিন নির্ধারণের তালিকায় এবারে নাম উঠল বাজারি মিষ্টিজাত দ্রব্যের

 

HnExpress ২রা মার্চ, নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজডেক্স ঃ কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া পদক্ষেপ, বাজারের বিভিন্ন প্যাকেটজাত খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ ও প্রসাধনী সামগ্রীর এক্সপায়ারি ডেট, অর্থাৎ ব্যবহারের মেয়াদকাল সংক্রান্ত দিন নির্ধারণের তালিকায় এবারে নাম উঠল বাজারি মিষ্টিজাত দ্রব্যের। হ্যাঁ, এখন থেকে বাজারের মিষ্টিদ্রবের ক্ষেত্রেও দেখা হবে এক্সপায়ারি ডেট, আর এর উল্লেখ রাখাটা নিতান্তই বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

আর সেই মর্মে, গত ২৪শে ফেব্রুয়ারী ফাইল নং ১২ (২৯) ২০১৯ / মিল্ক / আরসিডি / এফএসএসএআই (ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস, অ্যাক্ট, ২০০৬) এর অথরিটি অফ ইন্ডিয়া হতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিত আইন চালু হবে আগামী ১লা জুন, ২০২০ থেকে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বহু জায়গা থেকে বাসি-পঁচা মানে মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া বাজারি মিষ্টি খেয়ে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

তাই এখন থেকে আর শুধুই প্যাকেটজাত মিষ্টির ক্ষেত্রেই নয়, এই নতুন নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো খুচরো মিষ্টি বিক্রির ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে আইনটি। অর্থাৎ দ্রব্যমূল্যের সাথে সাথে সেই মিষ্টি কবে, কোন তারিখে তৈরি করা হয়েছে, তা কতদিন রেখে ভালো ভাবে খাওয়া যাবে এবং তার মেয়াদকাল কতদিনের জন্য সেটাও আইনতভাবে উল্লেখ করতে হবে মিষ্টির ট্রেতেই।

আর উল্লিখিত নির্দেশ বা আইন সমস্ত মিষ্টান্ন বিক্রেতাদেরই মানতে হবে জনস্বার্থে। যদিও এই মেয়াদকাল ঠিক কতদিন বা কতক্ষণ সময়ের মধ্যে ব্যবহার উপযোগী তা নির্ধারণ করবে এফবিও। এদিকে এই নতুন নির্দেশের বিজ্ঞপ্তির পরেই কপালে চিন্তার ভাজ ও মাথায় হাত রাজ্যের মাঝারি ও ক্ষুদ্র মিষ্টান্ন বিক্রেতাদের।

অন্যদিকে এই বিষয় ‘পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতি’র বক্তব্য হলো যে, বাংলায় মূলত ছানা থেকেই মিষ্টান্ন প্রস্তুত করা হয়। আর সেক্ষেত্রে এই ধরনের মিষ্টি তৈরিতে এই নিয়ম মেনে চলাটা খুবই সমস্যার ব্যাপার ও চিন্তার বিষয় তো বটেই। তবে এই তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আরও বিস্তারিত ভাবে জানতে হলে সার্চ করুন এফএসএসএআই—এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটি।

Leave a Reply

Latest Up to Date

%d bloggers like this: