নির্বাচনের প্রাককালে শুভাপ্রসন্নকে ইডির তলব, যদিও হাজিরা দেবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত করেননি তিনি

HnExpress নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ঃ ভোট আসতেই এক নব্য চমক দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। ঝুলি থেকে সারদাকান্ডের বেড়াল বের করে ফেলে প্রতিবারই। যদিওবা কয়েক বছর কেটে যাবার পরও রাজ্য সরকারের কাউকেই দোষী প্রমান করতে পারেনি এখনও। এই মুহুর্তে সুদীপ্ত সেন জেলে। কিন্তু তাদের একই মতামত রাজ্য সরকারের কিছু হেবিওয়েট নেতা, এমন কি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নাকি যুক্ত সারদা কান্ডের সাথে।

মার্চ মাসের প্রায় মাঝামাঝি শিল্পী শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্যকে নোটিশ দেয় ইডি। বাদ যায়নি তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, তৃণমূল নেতা সমীর চক্রবর্তীও। নোটিশ পাঠানো মানেই যে দোষী সাব্যস্ত হয় না, তা না জেনেই বিরোধী পক্ষ দোষারোপ করতে থাকে। এর আগেও কয়লা কান্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী এবং শ্যালিকাকে তলব করাতে বিরোধীদের কাছে মুখরোচক খবর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল তলবের এই ঘটনাটি।

শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য হলেন একজন ভারতীয় শিল্পী। তিনি ১৯৪৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে ভারতীয় আর্টস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর করেন। পরে তিনি ‘ক্যালকাটা পেইন্টস’ দলের একজন সক্রিয় সদস্য হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ নিয়ে তৃনমূলে যোগদান করেন। ২০১১তে রেল-মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেল মন্ত্রকে এক নতুন বিভাগ খুলে সেখানে তাঁকে চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত করেন। 

সূত্রের খবর, ১৫ই মার্চ ইডি শিল্পী শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্যকে ডেকে পাঠায়। অভিযোগ, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে একটি নিউজ চ্যানেল বিক্রি করেছিলেন। আর সেই সময় লেনদেন নিয়ে গোলমালের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে ইডি। তলব পাবার পর তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি নোটিস পেয়েছেন, তবে হাজিরা দিতে আসবেন কিনা, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। এর আগেও সারদা কান্ডে জেরার মুখোমুখি হয়ে ছিলেন শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য।

২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পরে দু’দফায় তিনি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়ে ছিলেন। এর আগে তৃনমূলের হেবিওয়েট নেতাদের জেরার বিষয়টিকে রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক বলে জানানো হয়ে ছিল রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। তবে এখনও অবধি শিল্পী শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্যকে তলবের বিষয়ে নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

Leave a Reply

Latest Up to Date

%d bloggers like this: