প্রজাতি পাল্টাচ্ছে করোনা, যার সংক্রমন ভয়াভব, ২০২১ —এও কি নিস্তার নেই?

HnExpress ২৬শে ডিসেম্বর, প্রিয়দর্শী সাধুখাঁ ঃ প্রজাতি পাল্টাচ্ছে করোনা, যার সংক্রমন ভয়াভব, ২০২১ —এও কি নিস্তার নেই? প্রসঙ্গত, সারা দেশের সংক্রমণের সংখ্যা হাজারে নয় কোটিতে দাঁড়িয়েছে। সারা পৃথিবীর সংক্রমণের কথা তো ভাবনার বাইরে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা এবং প্রাণহানির পরিসংখ্যানে ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, শনিবার ২৬ ডিসেম্বর সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ কোটি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৭ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭৪ জনের।

সুস্থ হয়েছেন ৫ কোটি ৬৪ লাখ ৬১ হাজার ৯৯ জন। এমতাবস্থায় গিরগিটির রং পাল্টানোর মতোই পাল্টাচ্ছে কোভিড-১৯ এর প্রজাতিও। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবী, নোভেল করোনা ভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতি বা ‘স্ট্রেন’-এর সন্ধান পেয়েছে তারা, যা নাকি আক্ষরিক অর্থেই ‘সুপার স্প্রেডার’। মালয়েশীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল নুর হিশাম আবদুল্লা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘সদ্য খোঁজ মেলা ‘ডি৬১৪জি’ নামের এই নতুন ‘স্ট্রেন’টি ১০ গুণ বেশি ছোঁয়াচে’।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক দাবি করেছেন যে, ‘ডি৬১৪জি’ সংক্রমণের তিনটি ঘটনা পাওয়া গিয়েছে। যাঁদের মধ্যে ভারত থেকে ফিরে আসা এক জন মালয়েশীয় রেস্তরাঁ-মালিক এবং ফিলিপিন্স ফেরত দু’জনও এই নতুন ‘স্ট্রেনে’ই সংক্রমিত বলে দাবি সে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তাই হু যতই আশ্বস্ত করুক না কেন, নতুন এক বিপদের গন্ধ পাচ্ছে ভারত-সহ বেশ কিছু দেশ। সূত্রের খবর অনুযাই ব্রিটেনে করোনার নয়া প্রজাতির করোনাতে আরও বেশি সংক্রামিত হচ্ছে মানুষ, ফলে ব্রিটেনে সাথে সারা পৃথিবীর যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়েছে, বিমান পরিষেবা ও ইমপোর্ট, এক্সপার্ট এর ব্যাবসাও বন্ধ।

নিস্তার নেই ২০২১ এতেও হয়তো! বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, নতুন প্রজাতির এই করোনা ভাইরাস খুবই ভয়ঙ্কর এবং শিশুদের জন্য খুবই মারাত্মক। লন্ডন স্কুল অফ হাইডিন ও ট্রপিকাল মেডিসিনের সেন্টার ফর ম্যাথেমেটিকাল মডেলিং অফ ইনফেকশাস ডিজিজের বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় করোনার নয়া প্রজাতি ৫৬% বেশি সংক্রামক এবং প্রানঘাতী। করোনার উৎপত্তি চিনের উহান প্রদেশে হলেও, নিয়ম এর তোয়াক্কা না করেই চক্ষুলজ্জাকে উপেক্ষা করে ৭৬ দিন পর মায়া বিচ ওয়াটার পার্কে দেখা গেলো মাক্স ছাড়া দেদার মানুষের ভিড়।

জলকেলিতে মত্ত হাজার হাজার চিনা নাগরিক।
সচেনতার প্রশ্নে সব কিছুই অন্ধকার হয়ে যায়, যখন দেখা যায় একদিকে বিজ্ঞানিদের মরণপন লড়াই করে কোভিড এর ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের লক্ষ্য, অন্যদিকে চিন, ভারতের মতো কিছু দেশে কেউ মাতছে উৎসবে, কেউ রাজনীতির প্রচারে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: