এনআরসি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে জেনে নিন, ঠিক কি কি নথিপত্র প্রয়োজন প্রমাণস্বরূপ

HnExpress বিশেষ প্রতিবেদন ঃ বর্তমানে দেশ জুড়ে চলছে এনআরসি নিয়ে এক মহা আতঙ্ক। আর সেই এনআরসি চালু করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্। সম্প্রতি এই এনআরসি জারির ফলে অসম রাজ্যে নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ। কিন্তু এই ডিটেনশন ক্যাম্পে যারা ভুক্তভোগী হচ্ছেন, তাদের সমস্যার মূল কারণ হলো কিছু ভুলভ্রান্তি ও ঠিক কি কি নথিপত্র প্রয়োজন তা না জানার ফলে।

এখন আসামের পর মোদি সরকারের পরবর্তী টার্গেট বা লক্ষ্য হলো পশ্চিমবঙ্গ। ফলে সেই মিথ্যে আতঙ্কের জেরে বাংলার বহু মানুষ বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার পথ। তবে প্রসঙ্গত, বাংলার বুকেও যদি বিজেপি সরকার এই এনআরসি বিল আনতে সফল হয়ে যায়, তবে সে অযথা ভয় না পেয়ে এ ক্ষেত্রে ঠিক কি কি নথিপত্র প্রয়োজন তা জেনে নিন এক নজরে—

১] ১৯৭১ সালের ২৪ শে মার্চ মধ্যরাতের আগে নিম্নলিখিত নথিপত্রে নাম না থাকলে তিনি এনআরসি ভুক্ত হতে পারেননি। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন—

➤ ১৯৫১ সালের এনআরসির তালিকায় নাম থাকা।

➤ ১৯৭১ সালের আগে ভোটার তালিকায় নাম থাকা।

➤ জমি বা নিজস্ব বাড়ির প্রমাণপত্র।

➤ নাগরিকত্বের শংসাপত্র।

➤ স্থায়ী বাসস্থানের শংসাপত্র।

➤ এলআইসি পলিসি, পাসপোর্ট, সরকারি শংসাপত্র।

➤ সরকারি সেবা বা চাকুরির শংসাপত্র।

➤ জন্মের শংসাপত্র।

➤ স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শংসাপত্র।

২] ১৯৭১ সালের ২৪ শে মার্চের মধ্যরাতের আগে পরিবারের বাবা, মা, ঠাকুরদা বা ঠাকুরমার নাম নিম্নলিখিত তালিকায় নথিবদ্ধ থাকলেও মিলতে পারে নাগরিকত্ব। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন —

➤ জমিজমা রেকর্ডের তথ্যাদি।

➤ বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে সার্কেল ইন্সপেক্টরের গ্রামীণ পঞ্চায়েতের শংসাপত্র।

➤ ১৯৭১ সালের আগের ভোটের তালিকায় নাম।

➤ রেশন কার্ড, ব্যাঙ্ক, এলআইসি বা নিকটবর্তী পোস্ট অফিসের কাগজপত্র।

➤ অন্য যেকোনো আইনগত ভাবে তৈরি বৈধ সরকারি নথিপত্র।

Leave a Reply

%d bloggers like this: