সফলতার শীর্ষে পৌছানোর লক্ষ্যে জয় নিরুপম ভাদুরী

HnExpress পল মৈত্র, দক্ষিন দিনাজপুর : দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের সংকেত ক্লাব এলাকার বাসিন্দা জয় নিরুপম ভাদুরী এলাকায় জয়দা নামেই পরিচিত। ছোট বেলা থেকেই গান বাজনার পরিবেশে
মানুষ হয়েছেন জয় বাবু। মা পঞ্চমি ভাদুরীর কাছে(জেলার সুপরিচিত শিল্পী) গানের হাতে খঁড়ি। এরপর গীটার আর কবিতাকে সঙ্গী করে বড়ো হয়ে ওঠা জয় ভাদুরী এখন বালুরঘাট শহরে একজন সুপরিচিত ব্যাক্তি। বেশ কয়েকবছর আগে হঠাৎ করেই সিনেমা বানানোর ভূত চাপে কাঁধে। তারপরেই শুরু হয় তা নিয়ে স্ক্রীপ্ট ও গল্প লেখা, এক এক করে তিনি এইঅবধি প্রায় ৩০ -ওর অধিক শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্র ও মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করে বানিয়ে ফেলেছেন।দুটো অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন। অর্জন করেছেন পরিচিতি, প্রশংসাও কুড়িয়েছেন প্রচুর। এক কথায় বালুরঘাটের গর্ব জয় নিরুপম ভাদুরী। শর্ট ফিল্ম বানানোর পাশাপাশি তিনি কবিতা, গল্প লেখেন এবং ছবিও আঁকেন। আবার গীটারাও শেখান।

প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ ও কলকাতায় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় তার গল্প ও কবিতা
প্রকাশিত হয়েছে। তার কয়েকটি ছবি বিদেশে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।এবিষয়ে তিনি
বলেন, আগামিতে আরো ছবির কাজ করতে চলেছি, গল্প ও স্ক্রীপ্ট লেখা চলছে।আসলে আমাদের মতন ইন্ডিপেন্ডেট মুভি মেকারদের সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হলো অর্থ। ভাল প্রোডিউসার পাওয়া বড়োই মুশকিল হয়। তাই নিজের গ্যাটের টাকা খরচ করে ছবি বানাই। তাই মাঝে মধ্যেই এই সমস্যাগুলির সম্মুখীন
হতে হয়। তবে আমার ধারনা ভবিষ্যতে প্রোডিউসারেরা এগিয়ে আসবেন ও আরো ভালো কাজ হবে। বিশেষ করে আগে ছবি বানানো ছিল দুস্কর আর স্বপ্নের মতন, কিন্তু এখন বিজ্ঞানের উন্নতির দরুন টেকনোলেজি আরো এগিয়ে এবং বাজারে ভালো ভালো ডিজিটাল ক্যামেরা বেড়িয়েছে। যার কারনে চলচিত্র জগতে প্রতিনিয়ত নবীন মুভি মেকাররা বিপ্লব ঘটাচ্ছে। আগামি দিনেও এই মুভি মেকিং এর রেশ আরো ছড়িয়ে পড়বে বলে আমি নিশ্চিত। আর বিশেষ করে যারা ক্যামেরার পেছনে কাজ ও পরিশ্রম করেন সেই টিমের গুরুত্ব কিন্তু সবচেয়ে বেশী।

Leave a Reply

Latest Up to Date

%d bloggers like this: