যুদ্ধের ডঙ্কা বোধহয় বেজে গেল সীমান্তে, পাকিস্তানের প্রত্যাঘাত এফ-১৬ কে নাস্তানাবুদ করে উচিত শিক্ষা দিল ভারতীয় বায়ুসেনা

HnExpress ওয়েবডেক্স নিউজ, ইন্দ্রাণী সেনগুপ্ত : মার খেয়েও শিক্ষা বা লজ্জা কোনোটাই নেই পাকিস্তানের প্রধান ইমরান খানের৷ এমনটাই দাবী বা মতামত বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের। কারণ, গতকাল সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরের দিনই ভারতের বায়ুসীমা লঙ্ঘনের চেষ্টা করল পাক যুদ্ধবিমান৷ তবে তাদের এই রণ কৌশলের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। উল্টে ভারতীয় বায়ুসেনার গুলি খেয়ে ভয়ে পালালো পাকিস্তানের এফ -১৬। সেনা সূত্রের খবর, আজ সকালে নওসেরা সেক্টর দিয়ে পাক বায়ুসেনার এফ -১৬ ভারতের সীমান্তে আকাশ পথে ঢোকার চেষ্টা করে৷ আর এরপরেই জবাব দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা৷

সূত্রের খবর, পাক যুদ্ধবিমানকে ভারতীয় সীমা লঙ্ঘন করতে দেখেই তাকে পিছু নেয় ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান৷ হঠাৎ ভারতীয় বায়ুসেনার হানায় হতবম্ভ হয়ে যায় পাক যুদ্ধ বিমান এফ -১৬৷ আবারও পাকিস্তানে ফিরে যেতে বাধ্য হয়৷ ইতিমধ্যেই হাই অ্যালার্ট জারি রয়েছে লেহ, জম্মু, পাঠানকোট ও শ্রীনগরে৷ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিমান বন্দরও৷ দখল নিয়েছে বায়ুসেনা৷

মঙ্গলবার ভোররাত ভারতীয় বায়ুসেনার করা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে কার্যত নাস্তানাবুদ অবস্থা পাকিস্তানের৷ তারপর থেকেই নিয়ন্ত্রণ রেখায় বাড়ছে উত্তেজনা৷ সুত্র অনুযায়ী, গতকাল রাত থেকেই ভারতীয় সেনা ছাঁউনি লক্ষ্য করে গোলা গুলিবর্ষণ করতে শুরু করেছে পাক রেঞ্জার্সরা৷ এবং পালটা জবাবও পাঠিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীরা৷ ভারত-পাক সীমান্তে তৈরি হচ্ছে হয়েছে যুদ্ধের আবহ৷ বিশেষজ্ঞদের মতানুযায়ী সীমান্তে বাজতে চলেছে যুদ্ধের ডঙ্কা। ইতিমধ্যে নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে৷ এই বৈঠকে রয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, ভারতীয় বাহিনীর তিন সেনার প্রধান ও ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থাগুলির প্রধানরা৷


পাক সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনার তিন বাহিনীকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ কাশ্মীরে বাড়তি সেনা ও ট্যাঙ্ক পাঠান হয়েছে৷ পাশাপাশি, নৌসেনাকেও কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলন থেকে সুত্রের খবর, ভারতের পাশে রয়েছে গোটা রাষ্ট্রসংঘ। আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স তো আগে থেকে ভারতের পাশে ছিলই। আজ রাশিয়া ও চীনও যে সর্বতোভাবে ভারতের পাশে আছে বলে এমনটাই প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন। এছাড়াও পাকিস্তানের আভ্যন্তরীন পরিকাঠামো যথেষ্ঠ নড়বড়ে হয়ে গেছে, এবং বর্তমানে পাকিস্তানের অর্থনীতির পরিস্থিতিও খুবই খারাপ। মূল কথা, বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের ওভারঅল পরিস্থিতি কোণঠাসা, অর্থাৎ দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে পাকিস্তানের। তাই পাক_ভারতের আকাশে বাতাসে এখন যুদ্ধের আবহাওয়া। দেশের প্রতিটি রাজ্য ও জেলায় জেলায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর জেরে যেমন গতকাল থেকে আনন্দের এক বাতাবরণ এর সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তেমনি যুদ্ধের আশংকায় চিন্তার ভাজ দেশবাসীর কপালে।

Posted

in

by

Comments

Leave a Reply