করোনা মোকাবিলায় প্রশাসনের নজর এবারে শহরতলিতেও

HnExpress ২১শে এপ্রিল, সংঘমিত্রা কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা ঃ করোনা মোকাবিলায় প্রশাসনের নজর এবারে শহরতলিতেও। ফলতঃ করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকার রাজ্যের হটস্পট চিহ্নিত এলাকা গুলিকে কঠিন দাওয়াই দিয়েছে, যার মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছ হাওড়া ও কলকাতার বিস্তীর্ন অঞ্চল। কিন্তু কলকাতার সীমান্তবর্তী এলাকা গুলিকে একপ্রকার সিল করে দিয়েও করোনা দুশ্চিন্তা যেন যাচ্ছে না প্রশাসনের। তাই এবার স্ক্যানার এর তলায় শহরতলির অঞ্চল গুলিও।

কলকাতার দক্ষিণের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে রয়েছে রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভা। এবার সেই পৌর সভার বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে প্রায় ৩৬টি পয়েন্টে ভাগ করে চলেছে নাকা চেকিং। এরই মধ্যে কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে সম্পূর্ণ রূপে সিল করে দেওয়াক হয়েছে। এবং রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোরভাবে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে উল্লেখিত জায়গা গুলিতে ঢোকা বা বেরোনোর সমস্ত রাস্তা যেন বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়।

 

 

শুধু তাই নয়, রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার অঞ্চলের ঢোকার মুখগুলিও সম্পূর্ণ রূপে নাকা চেকিং করা হচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম গড়িয়া মিতালি সংঘ, ঢালাই ব্রিজ, ব্রিজি পোল, রঙ কল, চারাকতালা, প্রাইমার ফ্যাক্টরি, পূর্বাসা পার্ক, শীতলা পার্ক, গড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, শ্রীনগর, জলপলে মেইন রোড এবং হাতি বাড়ি এলাকা। এছাড়াও বেশ কিছু স্পর্শ কাতর এলাকাকেও সিল কিরে দেওয়া হয়েছে।

 

 

যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কবি নজরুল মেট্রো পোল, দোলা পোল বস্তি, নারিকেল বাগান, বড়াল গার্লস স্কুল, কাঠপোল, ঢালাই ব্রিজ, নতুনপল্লী হরিদেবপুর, জলপলে মাদার ডেয়ারি, উত্তরপাড়া কেক ফ্যাক্টরি, লালগেট ওয়ার্ড নাম্বার ২, সর্দার পাড়া ওয়ার্ড নম্বর ৩৫ সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। সিল কিরে দেওয়া অঞ্চল গুলিতে যেন সম্পুর্ণ রূপে যাতে লকডাউন বিধি মানা হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখছে প্রশাসন।

প্রয়োজনে পুলিশকে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন সরকার। হটস্পট চিহ্নিত স্পর্শকাতর এলাকা এবং সিল কিরে দেওয়া এলাকায় র‍্যাপিড পদ্ধতিতে কোভিড ১৯ এর টেস্ট করানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। যদি এখনোও মানুষের মধ্যে সচেতনতা না আসে তবে প্রশাসনের রক্তচক্ষুতে ক’দিন যে কোভিড ১৯ এর সাথে মোকাবিলা করা যাবে তা সময়ই বলবে।

 

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: