করোনা ভাইরাস আর সাধারণ জ্বর বা কাশির মধ্যে পার্থক্য বুঝবেন কী করে? আজ রইল তাই নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা


সুরভিত তথা সুরক্ষিত পরিবেশের জন্য আজই ব্যবহার করুন, DAFFODIL

HnExpress ৭ই মার্চ, ওয়েবডেক্স নিউজ, স্বাস্থ্য সচেতনতা ঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আর ঋতু পরিবর্তনের জেরে সাধারণ জ্বর বা কাশি, এই দুটোর মধ্যে পার্থক্য করবেন কী করে? সেই দিশা দেখালেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনিল গুরতু। আজ রইল তাই নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের সুত্র অনুযায়ী, ভারতে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত প্রায় আনুমানিক ২৮ জন। জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। এই ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রক নিয়েছেন পর্যাপ্ত প্রতিরোধক ব্যবস্থা। এরই পাশাপাশি বেড়েছে মাস্ক আর স্যানিটাইজারের ব্যবহার। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দেশকে করোনা-মুক্ত করতে তৎপর হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry)। আর তারই পাশাপাশি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যগুলোও।


So Emmy…… Test Main Best —”TWIT”

এই পরস্থিতিতে বড় জমায়েতে উপস্থিত না থাকতে, দেশবাসীকে আবেদন জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। মাস্ক পরে বাইরে বেরনোর ধুম লেগে গিয়েছে। চলছে সংক্রমণ-প্রতিরোধী সাবানে (স্যানিটাইজার) হাত ধোয়ার পালা। কিন্তু মূল বিষয় হলো, এই পরিস্থিতিতে আবার ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে জ্বর-সর্দি-কাশি লেগেই আছে ঘরে ঘরে। কিন্তু সেই সংক্রমণকে অনেকে করোনার সঙ্গে গুলিয়ে বাঁধাচ্ছেন মহা বিপত্তি।

যার ফলস্বরূপ ছড়াচ্ছে মিথ্যে আতঙ্ক। তাই করোনা সংক্রমণ (Corona fever) আর ঋতু পরিবর্তনের জেরে জ্বর-কাশি (Normal Flu), এই দুটোর মধ্যে পার্থক্য করবেন কী করে? সেই দিশাই দেখালেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনিল গুরতু। তিনি বলেছেন, করোনা আক্রান্ত হলে প্রথম ১০ দিনে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর থাকবেই। কারণ এই ভাইরাসের প্রকোপ মানব দেহে ১০ দিন ধরে এই জ্বর বাসা বেঁধে থাকে। আর সঙ্গে থাকে শুকনো কাশিও।

চিকিৎসক আরও বললেন, যেটা ভাইরাল জ্বর বা সাধারণ জ্বর (ফ্লু জাতীয়), অর্থাৎ ঋতু পরিবর্তনের জেরে সাধারণত যেটা হয়ে থাকে, সেই জ্বরের সঙ্গে সর্দি, নাক বন্ধ, গলা খুশখুশ হয়। কিন্তু করোনাতে নাক বন্ধ কিংবা সর্দির লক্ষ্মণ দেখা যায় না। এই ভাইরাস সোজাসুজি শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে, তাই শুকনো কাশির সঙ্গে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর শরীরকে অতিরিক্ত মাত্রায় দুর্বল করে তোলে।


জনস্বার্থে প্রচারিত।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিকে গোটা বিশ্বের যখন প্রায় দু’ডজন দেশ করোনা নিয়ে কাহিল, তখন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন গত দুদিনে করোনা প্রতিরোধে কেন্দ্রের কৌশল সংসদকে বিবৃত করেছেন। যদিও সেই কৌশলে ত্রুটি খুঁজে বের করে সরব বিরোধীরা। এদিন ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি সংসদে বলেন, “দেশের অধিকাংশ বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থাই নেই।

বিদেশ থেকে আসা কয়েকজনকে বিমানবন্দরে জিজ্ঞাসাবাদ করে ও তাদের সাথে কথা বলেও জানা যায় যে তাদের কোনও স্ক্রিনিং করা হয়নি এযাবৎ।” যদিও এর জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, করোনার প্রকোপ থেকে দেশ তথা নাগরিকদের রক্ষা করতে মন্ত্রক বদ্ধপরিকর। সচেতন করতে উদ্যোগ নিয়েছে আমার মন্ত্রক। আমি চাই দল-মত নির্বিশেষে এই সঙ্কটের সময়ে করোনা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা হোক।

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: